লিঙ্গগত বৈষম্য

লিঙ্গগত বৈষম্য বলতে বোঝায় পুরুষ ও নারী বা বিভিন্ন লিঙ্গের মানুষের মধ্যে অসমতা বা অন্যায় আচরণ, যেখানে কেউ তার লিঙ্গের কারণে বৈষম্যের শিকার হয়।


লিঙ্গগত বৈষম্যের অর্থ

যখন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে তার লিঙ্গের (পুরুষ, নারী, বা অন্যান্য লিঙ্গ) কারণে সুযোগ-সুবিধা, অধিকার, সম্মান বা সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়, তখন তাকে লিঙ্গগত বৈষম্যের মধ্যে ধরা হয়।


লিঙ্গগত বৈষম্যের উদাহরণ

  • শিক্ষায় অসম সুযোগ: অনেক সমাজে মেয়েদের স্কুলে যাওয়া বাধাগ্রস্ত হয়।
  • কাজের জায়গায় অসম সুযোগ: নারীদের তুলনায় পুরুষদের বেশি কাজের সুযোগ বা বেতন পাওয়া।
  • বেতনের অসমতা: একই কাজের জন্য নারী পুরুষের বেতন ভিন্ন হওয়া।
  • সামাজিক আচরণে বৈষম্য: বাড়িতে বা সমাজে নারীদের অধিকার কম দেওয়া।
  • আইনি রাজনৈতিক অংশগ্রহণে বাধা: নারীরা বা অন্যান্য লিঙ্গের মানুষের রাজনৈতিক ও আইনি অধিকার কমে যাওয়া।

লিঙ্গগত বৈষম্যের কারণ

  • পুরানো সামাজিক বিশ্বাস ও সংস্কৃতি।
  • শিক্ষার অভাব।
  • অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামো।
  • আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব।
  • লিঙ্গভিত্তিক স্টেরিওটাইপ বা ধ্রুব মতবাদ।

লিঙ্গগত বৈষম্যের প্রভাব

  • নারী ও অন্য লিঙ্গের মানুষের অধিকার লঙ্ঘিত হয়।
  • সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাহত হয়।
  • মানসিক চাপ ও আত্মবিশ্বাসের অভাব।
  • পরিবারের ও সমাজের সামগ্রিক কল্যাণে প্রভাব পড়ে।

লিঙ্গ সমতা (Gender Equality)

লিঙ্গগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে সব লিঙ্গের মানুষ সমান সুযোগ, অধিকার ও মর্যাদা পায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top