সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ) – মান: ১ (৫০টি)
১. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধটির লেখক কে?
উত্তর: (গ) স্বামী বিবেকানন্দ
২. স্বামী বিবেকানন্দ কোন ভাষারীতিকে বাংলা গদ্যের আদর্শ রূপ বলে মনে করেছেন?
উত্তর: (খ) চলিত ভাষা
৩. লেখকের মতে, লেখ্য বাংলার ভিত্তি হওয়া উচিত কোন অঞ্চলের ভাষা?
উত্তর: (গ) কলকাতার মুখের ভাষা
৪. বিবেকানন্দ ভাষার কোন জিনিসটি বর্জন করতে বলেছেন?
উত্তর: (গ) অনাবশ্যক বিশেষণ
৫. স্বামীজীর মতে, ভাষার উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: (খ) মনের ভাব প্রকাশ করা
৬. “Verb-টা আগে insertion করলে” ভাষায় কী আসে বলে লেখক মনে করেন?
উত্তর: (গ) ওজস্বিতা
৭. বিবেকানন্দের মতে, কোন ভাষারীতিতে natural Egotism প্রকাশ পায়?
উত্তর: (ক) ইংরেজি ভাষায়
৮. ‘অস্তি-নাস্তি’ ইত্যাদি বহু আড়ম্বর কোন ভাষার বৈশিষ্ট্য?
উত্তর: (গ) সংস্কৃতের
৯. ‘জল খাচ্ছে’ এই 표현টিকে লেখক কী বলে মনে করেন?
উত্তর: (গ) সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত
১০. পূর্ববঙ্গের ভাষায় কোন পদের বাহুল্য আছে বলে লেখক উল্লেখ করেছেন?
উত্তর: (ঘ) ক্রিয়াপদের
১১. লেখকের মতে, কোন ভাষারীতি এখন চলবে না?
উত্তর: (খ) সংস্কৃত-বহুল সাধু ভাষা
১২. “ভাষা হচ্ছে ভাবের বাহন”—এই উক্তিটি কার?
উত্তর: (গ) বিবেকানন্দের
১৩. স্বামীজি কাদের জন্য ভাষাকে সহজ করতে চেয়েছেন?
উত্তর: (গ) সাধারণ লোকের জন্য
১৪. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধ অনুসারে, কোন ভাষাটি dead language বা মৃত ভাষা?
উত্তর: (ঘ) সংস্কৃত
১৫. স্বামীজির মতে, মূল ভাবটি কীসের দ্বারা আবৃত থাকে?
উত্তর: (খ) বিশেষণের জঞ্জাল
১৬. বিবেকানন্দ কোন ধরনের ক্রিয়াপদ ব্যবহারের পক্ষপাতী?
উত্তর: (খ) সংক্ষিপ্ত
১৭. লেখকের মতে, লেখায় কীসের ছড়াছড়ি ভাষাকে দুর্বল করে দেয়?
উত্তর: (খ) বিশেষণের
১৮. কোন দুটি ভাষারীতির তুলনা প্রবন্ধে করা হয়েছে?
উত্তর: (খ) সাধু ও চলিত
১৯. ‘ওজস্বিতা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: (গ) তেজ বা জোর
২০. “বিনা চেষ্টায়”—লেখকের মতে কী বেরিয়ে আসে?
উত্তর: (ঘ) natural Egotism
২১. স্বামীজি নতুন বাংলা গদ্যের কোন বৈশিষ্ট্যের কথা বলেননি?
উত্তর: (গ) অলংকারের বাহুল্য
২২. “ভাষাকে করতে হবে”—লেখকের কী নির্দেশ?
উত্তর: (ক) ছবির মতো
২৩. লেখকের মতে, ভাষার ‘চুলচেরা বিভাগ’ কাদের জন্য?
উত্তর: (গ) এখনকার কালের জন্য নয়
২৪. স্বামীজি কোন দুটি শব্দকে একই অর্থে ব্যবহারের কথা বলেছেন?
উত্তর: (গ) কিন্তু ও परन्तु
২৫. “সে ভাব সাধারণে কী করে বুঝবে?”—এখানে কোন ভাবের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: (গ) সংস্কৃতবহুল ভাষার ভাব
২৬. স্বামীজির মতে, ভাষা কেমন হওয়া উচিত?
উত্তর: (গ) जोरदार
২৭. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উত্তর: (গ) উদ্বোধন
২৮. “আগে দর্শনধারী, তারপর গুণবিচারী”—এই প্রবাদটি লেখক কী প্রসঙ্গে ব্যবহার করেছেন?
উত্তর: (গ) ভাষা
২৯. স্বামীজি কোন ক্রিয়াপদের ব্যবহারকে ‘জঘন্য’ বলেছেন?
উত্তর: (খ) ভাববাচ্যের ক্রিয়া
৩০. লেখকের মতে, কোন অঞ্চলের ভাষা ‘ন্যাতানো’?
উত্তর: (গ) পূর্ববঙ্গ
৩১. ‘আলাল’ বা ‘হুতোম’-এর ভাষা লেখকের পছন্দ নয় কেন?
উত্তর: (খ) তা গ্রাম্য (প্রবন্ধে একে ঠিক ভাষা বলা যায় না বলে উল্লেখ আছে)
৩২. স্বামীজি কিসের ‘আমদানি’ করতে বারণ করেছেন?
উত্তর: (ক) বিদেশি ভাব
৩৩. “কিনা” শব্দটি কোন অঞ্চলের ভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: (খ) পূর্ববঙ্গ
৩৪. লেখকের মতে, ‘স্বাভাবিক’ বা ‘সহজ’ ভাষা কোনটি?
উত্তর: (খ) যে ভাষায় মানুষ নিত্য কথা কয়
৩৫. লেখকের মতে, ভাষায় কী প্রবেশ করানো আবশ্যক?
উত্তর: (খ) নতুন নতুন ভাব
৩৬. প্রবন্ধটি কোন আঙ্গিকে লেখা?
উত্তর: (ক) পত্রের আঙ্গিকে (শিষ্যকে উদ্দেশ্য করে লেখা)
৩৭. স্বামীজি কাকে আদর্শ চলিত গদ্যের লেখক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন?
উত্তর: (ঘ) প্রবন্ধে কারো নাম করেননি
৩৮. ‘গিয়েছিলুম’ না লিখে ‘গিয়েছিলাম’ লেখার কারণ কী?
উত্তর: (খ) এটি কলকাতার ভাষা
৩৯. স্বামীজির মতে, ভাষা কীসের মতো হওয়া উচিত নয়?
উত্তর: (গ) পাণ্ডিত্যপূর্ণ
৪০. ‘Common’ বা সাধারণ লোকের জন্য কী প্রয়োজন?
উত্তর: (ক) ভাষা ও ভাব
৪১. লেখকের মতে, ‘ভাবের অভাব’ হলে কী হয়?
উত্তর: (খ) ভাষার আড়ম্বর বাড়ে
৪২. ‘তিরস্কার’ শব্দের চলিত রূপ প্রবন্ধে কী বলা হয়েছে?
উত্তর: (ঘ) এর উল্লেখ নেই
৪৩. প্রবন্ধের শেষে লেখক কীসের উপর জোর দিয়েছেন?
উত্তর: (খ) ভাব প্রকাশের স্বচ্ছতার
৪৪. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ কোন ধরনের রচনা?
উত্তর: (খ) মননশীল প্রবন্ধ
৪৫. লেখক ভাষার মধ্যে কী আনতে বলেছেন?
উত্তর: (গ) আরও জোর
৪৬. ‘গিয়েছিল’ এবং ‘গিয়েছিলো’-র মধ্যে কোনটি লেখকের পছন্দ?
উত্তর: (ক) গিয়েছিল (অ-কারান্ত রূপ)
৪৭. ‘Natural Egotism’ বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন?
উত্তর: (খ) স্বাভাবিক অহংবোধ
৪৮. স্বামীজি কিসের ‘ঝাঁকা-নাড়া’ দিয়ে ভাব বার করতে বলেছেন?
উত্তর: (খ) বিশেষণের
৪৯. কোন ভাষার dialect বা উপভাষা थोडे़ थोडे़ বদলে যায়?
উত্তর: (খ) জীবন্ত ভাষার
৫০. লেখকের মতে, ‘যত ভাব গভীর হবে, ভাষা তত…?’
উত্তর: (গ) সহজ হবে
শূন্যস্থান পূরণের জন্য সঠিক বিকল্পটি বেছে নাও – মান: ১ (৩০টি)
১. আসল কথা, ______ ভাষা ছেড়েই দিতে হবে।
উত্তর: (খ) সংস্কৃত-বহুল
২. ভাষাটাকে প্রথমে ______ করতে হবে।
উত্তর: (গ) जोरदार
৩. verb-টা আগে insertion করলে, ভাষায় একটা ______ আসে।
উত্তর: (খ) ওজস্বিতা
৪. বিশেষণগুলো ছেঁটে ফেলে দিয়ে, ______ ভাবটা বার করতে হবে।
উত্তর: (ঘ) মূল
৫. সাধারণ লোক ______ ভাষা শেখে, না তোমার পণ্ডিতী ভাষা?
উত্তর: (খ) মুখের
৬. ______ ভাষাটাকেই লেখ্য ভাষা করতে হবে।
উত্তর: (গ) কলকাতার
৭. ভাষার ______ বিভাগ এখনকার কালের জন্য নয়।
উত্তর: (খ) চুলচেরা
৮. ‘জল খাচ্ছে’ বলাটা ______ ও সুন্দর।
উত্তর: (খ) সংক্ষিপ্ত
৯. কিন্তু ও ______ দুটোই চলবে।
উত্তর: (গ) परन्तु
১০. পূর্ববঙ্গে ক্রিয়াপদের ______ বড় বেশি।
উত্তর: (ঘ) বাহুল্য
১১. ভাষা হচ্ছে ______ বাহন।
উত্তর: (খ) ভাবের
১২. আগে ______ , তারপর গুণবিচারী।
উত্তর: (গ) দর্শনধারী
১৩. ভাবের ঘরে ______ হলেই शब्दे আড়ম্বর হয়।
উত্তর: (ক) চুরি
১৪. যে ভাষায় কথা কও, সেই ভাষায় ______ কর।
উত্তর: (গ) লেখ
১৫. Common লোকের জন্য ‘ভাষা’ ও ‘ভাব’ দুই-ই চাই, ______ করে।
উত্তর: (খ) সোজা
১৬. সংস্কৃত হচ্ছে ______ language।
উত্তর: (গ) dead
১৭. কথায় ______ ভাবটা আগে আসে।
উত্তর: (খ) কর্তার
১৮. ও-সব ______ এখন আর কি চলে?
উত্তর: (গ) কিম্ভূতকিমাকার
১৯. ভাষাকে ______ মতো করতে হবে।
উত্তর: (গ) ছবির
২০. আলাল বা ______ ভাষা ঠিক ভাষা নয়।
উত্তর: (গ) হুতোম
২১. ইংরেজিতে ______ জিনিসটা বড় বেশি।
উত্তর: (গ) natural Egotism
২২. এখন থেকে ______ ভাষায় লিখবি।
উত্তর: (ক) চলতি
২৩. যে ভাষায় মনের ভাব ______ প্রকাশ করা যায়, তাই হচ্ছে সর্বোৎকৃষ্ট ভাষা।
উত্তর: (ক) সহজে
২৪. সেকেলে ______ এখন আর পুরুষের ধাতেও সয় না।
উত্তর: (গ) ভাষা
২৫. ______ dialect थोडे़ थोडे़ বদলে যায়।
উত্তর: (খ) জীবন্ত ভাষার
২৬. খালি ______ আমদানি করলেই কি ভাষা হয়?
উত্তর: (খ) ভাব
২৭. যত ভাব ______ হবে, ভাষা তত সহজ হবে।
উত্তর: (গ) গভীর
২৮. ও-ভাষায় একটা ______ আছে।
উত্তর: (ক) তেজ
২৯. সংস্কৃতের ______ বহু আড়ম্বর।
উত্তর: (খ) অস্তি-নাস্তি
৩০. ভাববাচ্যের प्रयोग বড়ই ______।
উত্তর: (ঘ) জঘন্য
ক্রম অনুযায়ী বাক্যের পুনর্বিন্যাস করো – মান: ১ (২০টি)
(নিচে ৫টি সেট দেওয়া হল, প্রতিটি সেটে ৪টি করে বাক্য আছে।)
সেট ১: লেখকের ভাষা-ভাবনার ক্রম অনুযায়ী সাজাও।
- ভাষার মধ্যে একটা ওজস্বিতা আসে।
- সাধারণ লোক মুখের ভাষা শেখে।
- Verb-টা আগে insertion করতে হবে।
- সংস্কৃত-বহুল ভাষা ছেড়ে দিতে হবে।
সঠিক ক্রম:
- (খ) সাধারণ লোক মুখের ভাষা শেখে।
- (ঘ) সংস্কৃত-বহুল ভাষা ছেড়ে দিতে হবে।
- (গ) Verb-টা আগে insertion করতে হবে।
- (ক) ভাষার মধ্যে একটা ওজস্বিতা আসে।
সেট ২: আদর্শ ভাষা গঠনের ধাপগুলি সাজাও।
- নতুন ভাব আমদানি করতে হবে।
- ভাষাকে जोरदार করতে হবে।
- কলকাতার ভাষাকে লেখ্য ভাষার ভিত্তি করতে হবে।
- বিশেষণের জঞ্জাল দূর করতে হবে।
সঠিক ক্রম:
- (গ) কলকাতার ভাষাকে লেখ্য ভাষার ভিত্তি করতে হবে।
- (খ) ভাষাকে जोरदार করতে হবে।
- (ঘ) বিশেষণের জঞ্জাল দূর করতে হবে।
- (ক) নতুন ভাব আমদানি করতে হবে।
সেট ৩: প্রবন্ধের যুক্তির ক্রম অনুযায়ী সাজাও।
- পূর্ববঙ্গের ভাষায় ক্রিয়াপদের বাহুল্য আছে।
- কলকাতার ভাষাটাই সবচেয়ে ‘pure’।
- জীবন্ত ভাষার উপভাষা বদলে যায়।
- তাই কলকাতার ভাষাকেই ভিত্তি করতে হবে।
সঠিক ক্রম:
- (গ) জীবন্ত ভাষার উপভাষা বদলে যায়।
- (ক) পূর্ববঙ্গের ভাষায় ক্রিয়াপদের বাহুল্য আছে।
- (খ) কলকাতার ভাষাটাই সবচেয়ে ‘pure’।
- (ঘ) তাই কলকাতার ভাষাকেই ভিত্তি করতে হবে।
সেট ৪: লেখকের নির্দেশাবলীর ক্রম অনুযায়ী সাজাও।
- কিন্তু ও परन्तु দুটোই চলবে।
- যে ভাষায় কথা কও, সেই ভাষায় লেখ।
- ও-কারটা ক্রিয়াপদে একদম ব্যবহার করবে না।
- ভাববাচ্যের प्रयोग বড়ই জঘন্য।
সঠিক ক্রম:
- (খ) যে ভাষায় কথা কও, সেই ভাষায় লেখ।
- (ঘ) ভাববাচ্যের प्रयोग বড়ই জঘন্য।
- (গ) ও-কারটা ক্রিয়াপদে একদম ব্যবহার করবে না।
- (ক) কিন্তু ও परन्तु দুটোই চলবে।
সেট ৫: ভাব ও ভাষার সম্পর্ক বিষয়ক উক্তিগুলি সাজাও।
- ভাষা হচ্ছে ভাবের বাহন।
- ভাষাটাকে ছবির মতো করতে হবে।
- যত ভাব গভীর হবে, ভাষা তত সহজ হবে।
- ভাবের ঘরে চুরি হলেই शब्दे আড়ম্বর হয়।
সঠিক ক্রম:
- (ক) ভাষা হচ্ছে ভাবের বাহন।
- (ঘ) ভাবের ঘরে চুরি হলেই शब्दे আড়ম্বর হয়।
- (গ) যত ভাব গভীর হবে, ভাষা তত সহজ হবে।
- (খ) ভাষাটাকে ছবির মতো করতে হবে।
স্তম্ভ মিলিয়ে সঠিক বিকল্পটি নির্বাচন করো – মান: ১ (২০টি)
(নিচে ৫টি সেট দেওয়া হল, প্রতিটি সেটে ৪টি করে জোড়া মেলাতে হবে।)
সেট ১:
| ‘ক’ স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
|---|---|
| ১. চলিত ভাষা | (ক) মৃত ভাষা |
| ২. সাধু ভাষা | (খ) আদর্শ লেখ্য ভাষা |
| ৩. সংস্কৃত | (গ) গ্রাম্য ভাষা |
| ৪. হুতোমী ভাষা | (ঘ) সংস্কৃত-বহুল |
সঠিক মিলন:
১ – (খ), ২ – (ঘ), ৩ – (ক), ৪ – (গ)
সেট ২:
| ‘ক’ স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
|---|---|
| ১. Verb আগে আনা | (ক) Egotism |
| ২. বিশেষণের ছড়াছড়ি | (খ) তেজ |
| ৩. ইংরেজি ভাষা | (গ) ওজস্বিতা |
| ৪. কলকাতার ভাষা | (ঘ) ভাবের অভাব |
সঠিক মিলন:
১ – (গ), ২ – (ঘ), ৩ – (ক), ৪ – (খ)
সেট ৩:
| ‘ক’ স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
|---|---|
| ১. পূর্ববঙ্গের ভাষা | (ক) সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত |
| ২. ‘জল খাচ্ছে’ | (খ) জঘন্য |
| ৩. ভাববাচ্যের প্রয়োগ | (গ) চলবে |
| ৪. ‘কিন্তু’ ও ‘পরन्तु’ | (ঘ) ন্যাতানো ও ক্রিয়াপদের বাহুল্য |
সঠিক মিলন:
১ – (ঘ), ২ – (ক), ৩ – (খ), ৪ – (গ)
সেট ৪:
| ‘ক’ স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
|---|---|
| ১. ভাব | (ক) বাহন |
| ২. ভাষা | (খ) জঞ্জাল |
| ৩. বিশেষণ | (গ) জোর |
| ৪. ওজস্বিতা | (ঘ) আসল জিনিস |
সঠিক মিলন:
১ – (ঘ), ২ – (ক), ৩ – (খ), ৪ – (গ)
সেট ৫:
| ‘ক’ স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
|---|---|
| ১. স্বামী বিবেকানন্দ | (ক) ‘সবুজপত্র’ |
| ২. ‘উদ্বোধন’ | (খ) ‘বাঙ্গালা ভাষা’ |
| ৩. প্রমথ চৌধুরী | (গ) চলিত ভাষার প্রবর্তক |
| ৪. বঙ্কিমচন্দ্র | (ঘ) সাধু গদ্যের লেখক |
সঠিক মিলন:
১ – (খ), ২ – (গ) (উদ্বোধন পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষার প্রচার করেন), ৩ – (ক), ৪ – (ঘ)
সত্য/মিথ্যা বিচার করে সঠিক বিকল্পটি নির্বাচন করো – মান: ১ (১০টি)
১. নীচের বিবৃতিগুলি বিবেচনা করো:
- স্বামী বিবেকানন্দ সাধু ভাষার সমর্থক ছিলেন।
- তিনি কলকাতাকে লেখ্য ভাষার ভিত্তি করতে বলেছেন।
- তিনি ভাষায় বিশেষণের ব্যবহার বাড়াতে বলেছেন।
- তাঁর মতে, ভাষা হবে সহজ ও শক্তিশালী।
উত্তর: (খ) (i)-মিথ্যা, (ii)-সত্য, (iii)-মিথ্যা, (iv)-সত্য
২. নীচের বিবৃতিগুলি বিবেচনা করো:
- লেখক ক্রিয়াপদকে বাক্যের প্রথমে ব্যবহারের পক্ষপাতী।
- ‘জল পান করছেন’-এর চেয়ে ‘জল খাচ্ছে’ লেখকের বেশি পছন্দ।
- পূর্ববঙ্গের ভাষাকে তিনি আদর্শ লেখ্য ভাষা বলেছেন।
- লেখক বলেছেন, আলালী ভাষা একটি আদর্শ ভাষা।
উত্তর: (খ) (i)-সত্য, (ii)-সত্য, (iii)-মিথ্যা, (iv)-মিথ্যা
৩. নীচের বিবৃতিগুলি বিবেচনা করো:
- বিবেকানন্দের মতে, সংস্কৃত একটি জীবন্ত ভাষা।
- তিনি ভাববাচ্যের প্রয়োগকে সমর্থন করেছেন।
- ‘কিন্তু’ ও ‘পরन्तु’ দুটি শব্দকেই ব্যবহার করা যায় বলে তিনি মনে করেন।
- ভাষাকে ছবির মতো করার কথা তিনি বলেছেন।
উত্তর: (গ) (i)-মিথ্যা, (ii)-মিথ্যা, (iii)-সত্য, (iv)-সত্য
৪. নীচের বিবৃতিগুলি বিবেচনা করো:
- ‘দর্শনধারী’ হওয়ার পরই ‘গুণবিচারী’ হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- ভাষায় ‘ওজস্বিতা’ আনার জন্য বিশেষণের প্রয়োজন।
- বিবেকানন্দ চলিত ভাষারীতির জনক।
- ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধটি ‘উদ্বোধন’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
উত্তর: (ক) (i)-সত্য, (ii)-মিথ্যা, (iii)-মিথ্যা, (iv)-সত্য (চলিত ভাষার জনক প্রমথ চৌধুরী, বিবেকানন্দ অন্যতম প্রধান সমর্থক)।
৫. নীচের বিবৃতিগুলি বিবেচনা করো:
- লেখকের মতে, ভাবের অভাব হলেই ভাষায় আড়ম্বর বাড়ে।
- ইংরেজি ভাষায় ‘natural Egotism’ কম।
- ‘গিয়েছিলুম’ না লিখে ‘গিয়েছিলাম’ লিখতে বলা হয়েছে।
- প্রবন্ধটি পত্রের আকারে লেখা।
উত্তর: (খ) (i)-সত্য, (ii)-মিথ্যা, (iii)-সত্য, (iv)-সত্য
৬. নীচের বিবৃতিগুলি বিবেচনা করো:
- স্বামীজি বিদেশি ভাব আমদানি করতে বলেছেন।
- তিনি ভাষার চুলচেরা বিভাগকে সমর্থন করেছেন।
- তাঁর মতে, ভাষা হওয়া উচিত जोरदार।
- তিনি সংক্ষিপ্ত ক্রিয়াপদের ব্যবহারের পক্ষে।
উত্তর: (ক) (i)-মিথ্যা, (ii)-মিথ্যা, (iii)-সত্য, (iv)-সত্য
৭. নীচের বিবৃতিগুলি বিবেচনা করো:
- লেখক মনে করেন মুখের ভাষাই আসল ভাষা।
- সাধারণ মানুষের জন্য ভাষাকে সহজবোধ্য করা লেখকের উদ্দেশ্য।
- ‘অস্তি-নাস্তি’ ইত্যাদি চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য।
- যত ভাব গভীর হয়, ভাষা তত জটিল হয়।
উত্তর: (ক) (i)-সত্য, (ii)-সত্য, (iii)-মিথ্যা, (iv)-মিথ্যা
৮. নীচের বিবৃতিগুলি বিবেচনা করো:
- কলকাতার ভাষায় একটি নিজস্ব তেজ আছে।
- ‘Common’ লোকের জন্য ভাষা ও ভাব দুটোই সহজ হওয়া দরকার।
- প্রবন্ধে লেখক কোনো বিদেশি শব্দের উল্লেখ করেননি।
- ‘গেল’ ক্রিয়াপদে ও-কার যোগ করতে বলা হয়েছে।
উত্তর: (গ) (i)-সত্য, (ii)-সত্য, (iii)-মিথ্যা, (iv)-মিথ্যা (‘Verb’, ‘Egotism’, ‘dead language’ ইত্যাদি শব্দ আছে; ও-কার বর্জন করতে বলা হয়েছে)
৯. নীচের বিবৃতিগুলি বিবেচনা করো:
- স্বামীজি বাংলা ভাষাকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে চেয়েছেন।
- তিনি বলেছেন, যে ভাষায় কথা বলা হয়, সে ভাষায় লেখা উচিত নয়।
- ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’র ভাষাকে তিনি আদর্শ মনে করেছেন।
- ভাষার প্রধান উদ্দেশ্য পাণ্ডিত্য প্রদর্শন।
উত্তর: (ক) (i)-সত্য, (ii)-মিথ্যা, (iii)-মিথ্যা, (iv)-মিথ্যা
১০. নীচের বিবৃতিগুলি বিবেচনা করো:
- স্বামীজি মনে করেন, ভাষা ভাবের বাহন।
- তিনি লেখায় অলংকার ব্যবহারের পক্ষে।
- তিনি সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণকে সমর্থন করেছেন।
- পূর্ববঙ্গের ভাষাকে তিনি ‘ন্যাতানো’ বলেছেন।
উত্তর: (খ) (i)-সত্য, (ii)-মিথ্যা, (iii)-মিথ্যা, (iv)-সত্য
বিবৃতি (Assertion) ও কারণ (Reason) এর মধ্যে সঠিক সম্পর্ক নিরূপণ করো – মান: ১ (১০টি)
১.
বিবৃতি (A): বিবেকানন্দ চলিত ভাষাকে লেখার বাহন করতে বলেছেন।
কারণ (R): কারণ চলিত ভাষা সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য ও শক্তিশালী।
উত্তর: (ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R হল A-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
২.
বিবৃতি (A): স্বামীজি ক্রিয়াপদকে বাক্যের প্রথমে আনতে বলেছেন।
কারণ (R): কারণ এতে বাক্যের গঠন সুন্দর হয় এবং শুনতে ভালো লাগে।
উত্তর: (গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা। (কারণটি হল, এতে ভাষায় ‘ওজস্বিতা’ বা জোর আসে, কেবল সুন্দর করার জন্য নয়)।
৩.
বিবৃতি (A): লেখক ভাষায় বিশেষণের বাহুল্য বর্জন করতে বলেছেন।
কারণ (R): কারণ বিশেষণ মূল ভাবকে আবৃত করে ভাষাকে দুর্বল করে দেয়।
উত্তর: (ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R হল A-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
৪.
বিবৃতি (A): বিবেকানন্দ কলকাতাকে লেখ্য ভাষার ভিত্তি হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
কারণ (R): কারণ কলকাতার ভাষায় কোনো উপভাষার প্রভাব নেই।
উত্তর: (গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা। (কারণটি হল, কলকাতার ভাষা ‘pure’ এবং তাতে একটি নিজস্ব ‘তেজ’ আছে, উপভাষার প্রভাব নেই একথা বলা হয়নি)।
৫.
বিবৃতি (A): লেখকের মতে, সংস্কৃত একটি মৃত ভাষা।
কারণ (R): কারণ এই ভাষায় এখন আর কেউ কথা বলে না এবং এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
উত্তর: (ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R হল A-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
৬.
বিবৃতি (A): লেখক মনে করেন, ভাবের অভাব হলেই ভাষায় শব্দের আড়ম্বর দেখা যায়।
কারণ (R): কারণ লেখকরা পাণ্ডিত্য দেখানোর জন্য কঠিন শব্দ ব্যবহার করেন।
উত্তর: (ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R হল A-এর সঠিক ব্যাখ্যা। (ভাবের অভাবকে ঢাকতেই পাণ্ডিত্যের আড়ম্বর আসে)।
৭.
বিবৃতি (A): স্বামীজি ‘আলাল’ বা ‘হুতোম’-এর ভাষাকে আদর্শ মনে করেননি।
কারণ (R): কারণ এই ভাষাগুলি অতিরিক্ত সংস্কৃত-বহুল।
উত্তর: (গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা। (কারণটি হল, ওই ভাষাগুলি গ্রাম্য এবং ঠিক ভাষা নয়, সংস্কৃত-বহুলতার জন্য নয়)।
৮.
বিবৃতি (A): লেখক বলেছেন, “আগে দর্শনধারী, তারপর গুণবিচারী”।
কারণ (R): এর দ্বারা তিনি বুঝিয়েছেন যে, ভাষার বাহ্যিক রূপ বা প্রকাশভঙ্গিটি আকর্ষণীয় ও শক্তিশালী না হলে ভেতরের ভাব গুরুত্ব পায় না।
উত্তর: (ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R হল A-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
৯.
বিবৃতি (A): বিবেকানন্দ ভাববাচ্যের প্রয়োগকে ‘জঘন্য’ বলেছেন।
কারণ (R): কারণ ভাববাচ্য বাক্যকে দীর্ঘ ও দুর্বল করে দেয়।
উত্তর: (ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R হল A-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
১০.
বিবৃতি (A): স্বামীজি নতুন ভাব আমদানি করার কথা বলেছেন।
কারণ (R): কারণ তাঁর মতে, ভাষার উন্নতির জন্য কেবল বিদেশি শব্দের অনুকরণই যথেষ্ট।
উত্তর: (গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা। (কারণটি হল, ভাব আমদানি করতে হবে, কিন্তু বিদেশি শব্দের অনুকরণই যথেষ্ট নয়, ভাবটিকে নিজের করে নিতে হবে)।
বাংলা ভাষা স্বামী বিবেকানন্দ mcq প্রশ্ন উত্তর MCQ অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর: wbchse class 12 bengali question answer বাংলা ভাষা স্বামী বিবেকানন্দ প্রশ্ন উত্তর

